শরীর-মন ও জীবনযাপনে একাকিত্ব
বার্ধক্য এলে অনেকেই বোঝা হয়ে উঠেন সংসারে। পরিবার-পরিজন গুরুত্ব দিতে চান না মানুষটিকে। বয়স বাড়লে শারীরিক নানা সমস্যা দেখা দেয়। নানা অস্বস্তি বোধ হয়। ত্বক কুঁচকে যায়, মাথার চুল পাকে। হাঁটুর ব্যথা সহ নানা রোগে বিব্রত হতে হয়। তখন দেখার মানুষের সংখ্যা কমে আসে। জীবন হয়ে উঠে কষ্টকর। বয়স হয়ে যাওয়া মানেই শরীরের পরিবর্তন। শরীরে, মনে ও জীবনযাপনে একাকিত্ব ঘিরে ধরে। এই সময় নিঃসঙ্গতার গহ্বরে হারিয়ে যেতে পারেন অনেক বৃদ্ধ-বৃদ্ধা। নিজের ভাবনার জগৎ ভিন্ন হয়ে যায়। একটাই ভয় তাড়া করে বেড়ায় “আমি যেন কারও বোঝা না হয়ে দাঁড়াই”। দায়িত্বের ভার নেওয়ার লোকের অভাব হয়।
জীবনের হিসাবনিকাশে কোথাও গরমিল হয়ে যায়। বৃদ্ধ হলে অনেক পরিবারে করুণার দৃষ্টিতে দেখা হয়। দুর্বলতা ভরা শরীরটা নজরে রাখা মানুষের অভাব ঘটে। বার্ধক্য কারও কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলে দেয়। বয়স হয়ে যাওয়া অভিজ্ঞতার সম্পদে পরিপূর্ণ মানুষগুলোর শেষ জীবনের সময়টুকু একটু পাশে থাকুন এই আবেদনটুকু থাক। পাশে দাঁড়ালে বুঝবেন, নতুন উপলব্ধির আলো আপনার জীবনে এসেছে। আসুন,অসহায় বৃদ্ধ-বৃদ্ধাদের পাশে দাঁড়াই । আপনাকেও এই বয়সটায় পৌঁছাতে হবে।

